পৃথিবীতে প্রেরণের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمدلله و كفى وسلام علي عباده الذين اصطفي امابعد فاعوذبالله من الشيطان الرجيم‘  بسم الله الرحمن الرحيم

¨ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ

অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সৎসঙ্গীদের সাথে থাক।
(সূরা তওবা, আয়াত: ১১৯)

¨ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ 

      হে ঈমানদাগরগণ! তোমাদের উপর রোযা ফর করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর। যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।
(সূরা : বাক্বারা, আয়াত: ১৮৩)
      শ্রোতাগণ! মহান রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে এ পৃথিবীতে প্রেরণের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী? মানুষ যখন তাঁর কাজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন না থাকে তখন সে তার কাজ সঠিকভাবে আঞ্জাম দিতে পারে না। তাই আমাদেরকে আমাদের জীবনের লক্ষ্য বুঝতে হবে। এ পৃথিবীতে আমরা কেন  এসেছি? এটা তো আমাদের অস্থায়ী বাসস্থান। আমার স্থায়ী বাসস্থান হলো আখিরাত। দুনিয়া অস্থায়ী বাসস্থান হওয়ার কতিপয় উদাহরণ শুনে নিন। কাশ্মীর, কোয়েটা ও পাস্তিানের চার দিক থেকে মানুষ করাচীতে অর্থ উপার্জন করার জন্য আসে। উপার্জিত অর্থ সে সযত্নে রাখে। এরপর নগদ অর্থগুলো নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে শান-শওকত ও আভিজাত্যের সাথে চলে। অথবা আসবাব-পত্র ক্রয় করে সাথে নিয়ে যায়। এতে এলাকায় তার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। লোকেরা বলতে থাকে মাশাআল্লাহ! অমুক করাচী থেকে অনেক অর্থ উপার্জন করে নিয়ে এসেছে। বিভিন্নজন তাকে দাওয়াত করতে থাকে।
      উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা একথাই বোঝা যায় যে, এ সকল লোকেরা ভিন দেশে অবস্থানের লক্ষ্য বুঝতে পেরেছে। পরদেশ অর্থাৎ করাচীর আয় করাচীতেই ব্যয় করেনি। বরং স্বদেশে নিয়ে এসেছে। যার কারণে তাদের এই খ্যাতি ও মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি তারা করাচীর কামাই করাচীতে বসেই খরচ করে ফেলত তাহলে তারা এই যশ-খ্যাতি আদৌ লাভ করতে পারত না। বরং লোকেরা তাদেরকে নির্বোধ আখ্যা দিত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: দয়া করে কপি করা থেকে বিরত থাকুন, ধন্যবাদ।